Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on skype

প্রথমেই যেনে রাখা ভালো সান ট্যান কোনো রোগ নয়। আমাদের শরীরে সূর্যালোকের প্রভাবে যে ক্ষতিকর সমস্যাগুলো হয় সেগুলো থেকে এই সান ট্যান আমাদের বাঁচায়। সুতরাং এটা প্রকৃতির একটি প্রতিরক্ষামূলক বিষয়। তবুও যদি মনে হয় সান ট্যান আপনার সমস্যার কারণ তবে যেনে নিন এই সান ট্যান কি এবং এর প্রতিকার কি?

সান ট্যান কি?

আমাদের ভারতীয়দের ত্বকে মেলানসাইটস নামে একধরনের কোষ থাকে, যেটা থেকে মেলানিন নামক একধরনের রঞ্জক পদার্থ তৈরী হয়। এই রঞ্জক পদার্থ আমাদের সূর্যের অতিবেগুনী রস্মি শুষে নেয় এবং আমাদের ত্বককে সুরক্ষিত রাখে।

বিদেশের তুলনায় আমাদের দেশে স্কিন কান্সার রোগী খুবই কম দেখা যায়, তার কারণ এই সান ট্যান। এই সান ট্যানের ফলে ত্বকের অন্য ধরনের রোগ হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমিয়া দেয়, স্কিন কান্সার থেকে শরীর বেঁচে যায় যায়। তাই সান ট্যান প্রক্রিয়াটিকে রোগ না ভাবাই ভালো।  আজকাল পাশ্চাত্য দেশগুলিতে মানুষদের ভেতরে একটা স্কিন ট্যান করার প্রবনতা এসেছে। তারা মাঝেমাঝেই সমুদ্রতটে গিয়ে স্নান করছে এবং Dihydroxyacetone নামে একধরনের কেমিক্যাল লাগিয়ে সান ট্যান করছে। তাই এটাকে রোগ ভেবে দুঃখ পাওয়ার কোনো কারণ নেই।

সান ট্যান

সান ট্যান থেকে মুক্তি পাবেন কিভাবে?

তবুও যদি সান ট্যান হয়ে যায়, আর আপনি যদি এটা থেকে মুক্তি পেতে চান তবে সেক্ষেত্রে কিছু নিয়মাবলী আপনাকে মেনে চলতে হবে।

  • সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হলো সানস্ক্রিন লাগানো। যেটা SPF-30 এর বেশী, PA3+ রেটিং রয়েছে এবং অবশ্যই জল প্রতিরোধী সেই ধরনরের সানস্ক্রিন ব্যাবহার করুন, খেয়াল রাখতে হবে ঘামের সাথে সানস্ক্রিন ধুয়ে না যায়। সানস্ক্রিন ৩ থেকে ৮ ঘণ্টা অন্তর লাগান, এবং বায়রে বেড়ানোর ৩০ মিনিট আগে লাগান।
  • ত্বক্-কে ময়েসচারাইজ করুন। বারবার ময়েসচারাইজ করলে ত্বক্ হাইড্রেটেড থাকবে এবং স্কিনের এক্সফোলিয়েশন ভালো হবে। এবং ওপরের পিগমেনটেসন স্তর সরে গিয়ে নতুন চামড়া তৈরী হবে।
  • এছাড়া কিছু ঘরোয়া টোটকা কাজে লাগতে পারে। যেমন- বিভিন্ন স্ক্রাবার , দই, ফলের রস, ময়দা, এগুলো মিশিয়ে স্ক্রাবার তৈরী করে বা প্যাক তৈরী করে লাগানো যেতে পারে।
  • বর্তমানে বেশ কিছু অত্যাধুনিক প্রযুক্তি রয়েছে, তাদের মধ্যে অন্যতম কেমিক্যাল পীলিং বা লেসর ট্রিটমেন্ট। কেমিক্যাল পীলিং-এ একধরনের ওষুধ ব্যাবহার হয় যেটা ত্বকের নীচে থাকা মেলানিনের সমন্বয় হ্রাস করে দেয়। ফলে সান ট্যান ধিরে ধিরে কেটে যায় এবং ত্বক্ আগের অবস্থায় ফিরে আসে। লেসর ট্রিটমেন্টের মাধ্যমে একধরনের রে ত্বকের ভেতরে যায় এবং মেলানিনের সমন্বয় হ্রাস করে দেয়, এক্ষেত্রেও আমরা সান ট্যান থেকে তাড়াতাড়ি মুক্তি পেতে পারি।

আপনাদের যদি মনে হয় সান ট্যানের জন্য খারাপ লাগছে তবে যে কোনো ত্বক্-বিশেষজ্ঞের কাছে যান।  বিশেষজ্ঞরাই আপনাকে সঠিক প্রতিকার দিতে পারবেন।

Share on facebook
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp