Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on skype

মহিলাদের শরীরে অবাঞ্ছিত লোমের সমস্যা! পথে ঘাটে অনেক সময়েই অবাঞ্ছিত লোম নিয়ে তাদের বিব্রতও বোধ করতে হয়। বেশীরভাগ ক্ষেত্রে কমবয়সী মহিলাদের এই অবাঞ্ছিত লোমের সমস্যা হয়ে থাকে। মুখের মধ্যে যদি হয়, এবং তা যদি গোঁফ দাড়ির আকার নেয় তাহলে তো বিড়ম্বনার শেষ থাকে না। তবে শুধু মুখ নয়, এই অবাঞ্ছিত লোম শরীরের অন্যান্য জায়গাতেও হয়ে থাকে। এর ফলে দেখা যায়, যা ঢাকতে বারবার Vaccine বা Threading করতে হচ্ছে। ফলস্বরূপ, তিনি মানসিকভাবে অবসাদে ভুগতে শুরু করেন।

অতিরিক্ত বা অবাঞ্ছিত লোমের সমস্যা হওয়ার কারন

পলিসিস্টিক অভারিয়ান সিন্ড্রোম

মেয়েদের অবাঞ্ছিত লোমের একটি কারণ হল পলিসিস্টিক অভারিয়ান সিন্ড্রোম। এটি কিন্তু কোনও শিষ্ট বা টিউমার নয়,  ওভারিতে থাকা একরকম জলে ভরা থলি যা মহিলাদের হরমোনের স্বাভাবিক উৎপাদনকে প্রবাভিত করে অতিরিক্ত লোমের মতন সমস্যা সৃষ্টি করে।

ছেলেদের হরমোনের প্রভাব

খুব কম হলেও মেয়েদের শরীরে ছেলেদের হরমোন থাকে এবং অনেক সময় দেখা গেছে বিভিন্ন রোগের কারনে মেয়েদের শরীরে থাকা পুরুষদের ওই হরমোন বেড়ে যায়। এই জন্যই ছেলেদের মত চুল দাড়ি গজাতে থাকে। এছাড়াও দেখা যায়, শরীরের ভেতরের অংশে যদি ছেলেদের হরমোন তৈরির কোনও টিউমার থাকে সেক্ষেত্রে হরমোনের আধিক্যর জন্য চুল দাড়ি গজায়। যদিও বহুক্ষেত্রে এর সঠিক কোনও কারন খুঁজে পাওয়া যায় না। যাকে আমরা Idiopathic Hirsutism বলি।

বিভিন্ন রকম ওষুধের প্রভাব

বহু স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ আছে যার সেবনে অতিরিক্ত চুল বা লোম গজাতে পারে এছাড়াও Minoxidil, cyclosporine এর মতন ওষুধের ব্যাবহারেও অতিরিক্ত লোমের আধিক্য দেখা যায়।

সুস্থ থাকার উপায়

যাই হোক না কেন, এরজন্য কোন Dermotologist-এর সঙ্গে আলোচনা করা খুব জরুরী। কারন, এই সমস্যার সমাধান আমাদের হাতে রয়েছে। এই সমস্যার সমাধান একেবারেই বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে হয়। যার জন্য আমরা Laser Hair Reduction-এর পরামর্শ দিয়ে থাকি। Laser Hair Reduction-এর ক্ষেত্রে যেটা করা হয় তা হলো, Laser রশ্মি শরীরের চামড়ার মধ্য দিয়ে যায়। সেই রশ্মি দিয়ে চুলের গোড়ায় যেখানে Hair follicle রয়েছে সেটাকে ধীরে ধীরে শুকিয়ে দেয়। সুখের কথা এতে অবাঞ্ছিত চুলের বৃদ্ধি কমতে থাকে। দেখা যায়,৭ থেকে ১০টা সেসনের পর অনেক উপকার হয়েছে। চুলের বৃদ্ধি উল্লেখযোগ্যভাবে স্বভাবিক হয়ে গেছে। অনেক সময় একটা হাল্কা চুলকুনি বা জ্বালাভাব থাকতেও পারে। তবে তা সাময়িক। কিছুক্ষণ পর তা চলে যায়। শরীরের উপরে বা চামড়ার উপরে কোনও মাস্ক থাকে না বললেই চলে। আমার পরামর্শ,  এইসব সমস্যার ক্ষেত্রে প্রথম প্রয়োজন হল, কোনও ভাল Dermotogist-এর সঙ্গে কালবিলম্ব না করে আলোচনা করা। যদি হরমোনের কোনও পুর্নমূল্যায়ন দরকার হয় অবিলম্বে তা করা এবং Laser Hair Reduction করা। জানবেন, এই পদ্ধতি শুধু নিরাপদই নয়, কোনোরকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই।

Share on facebook
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp