Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp

ডিহাইড্রেশন থেকে রক্ষা পেতে ঘরোয়া ৫ টি খাবার

আমাদের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় সবকটি উপাদান গুলোর মধ্যে জল হল অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান কারণ জল । .আমাদের দেহে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করার পাশাপাশি এতে রয়েছে প্রয়োজনীয় কিছু মিনারেলস । তাছাড়া জল আমাদের দেহে দ্রাবক রুপে কাজ করে এবং ইলেক্ট্রোলাইটস এর ব্যাল্যান্স বজায় রাখতে সাহায্য করে । বয়স এবং লিঙ্গভেদে আমাদের শরীরে জলের পরিমাণের ভিন্নতা রয়েছে , একজন ১৯-৫০ বছর বয়সি পুরুষ এবং মহিলার শরীরে যথাক্রমে ৪৩-৭৩% , ৫০-৬০% জলের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায় ।

দেহে প্রয়োজনীয় জলের পরিমাণ কমে যাওয়াকে ডিহাইড্রেশন ( জলশূন্যতা ) বলা হয় যার ফল স্বরুপ আমাদের অতিরিক্ত তৃষ্ণা ,শারীরিক দুর্বলতা ,গাঢ় হলুদ এবং দুর্গন্ধ যুক্ত প্রস্বাব , মাথাঘোরা বা হাল্কা মাথাব্যথা ছারাও অন্যান্য লক্ষণ দেখা দিতে পারে ।

গ্রীষ্মের এই দাবদাহে দেশের বিভিন্ন শহর,মহানগরী এবং অন্যান্য উষ্ণ অঞ্চল গুলতে যেখানে তুলনামুলক বেশি তাপমাত্রা রয়েছে সেখানকার লোকেদের ডিহাইড্রেশন হবার সম্ভাবনা তুলনামুলক বেশি রয়েছে । তাই গ্রীষ্মের এই দাবদাহে ডিহাইড্রেশন কে প্রতিরোধ করতে দেহে প্রয়োজনীয় মাত্রায় জলের যোগান দেওয়া জরুরি । শুধু বেশি করে জল খেয়েই যে জলের যোগান দিতে হয় তা নয় । জল খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিদিনের খাবারে এমন কিছু রাখা উচিত যেগুলোর মধ্যে জলের পরিমান বেশি রয়েছে এবং যা আমাদের দেহে জলের সঠিক পরিমান বজায় রাখতে সহায়ক । আজ এখানে এমনই কিছু খাবারের ( ফল , শব্জি ) কথা আলোচনা করবো ।

চাল কুমড়ো –

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ , কর্ণাটক , ত্রিপুরা , কেরল সহ বিভিন্ন রাজ্যে এর চাষ হয় এবং এটি সব্জি হিসেবে দৈনন্দিন রান্নায় ব্যবহৃত হয় । চালকুমড়োতে রয়েছে শতকরা ৯৬.৫% জল যা আমাদের শরীরে জলের পরিমান বাড়াতে সাহায্য করে এবং ডিহাইড্রেশন হওয়া থেকে রক্ষা করে ।

তরমুজ –

তরমুজ

এন্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিনে ভরপুর তরমুজে রয়েছে শতকরা ৯৫.৮ % জল যা আমাদের শরীরে জলের যোগান দিয়ে শরীরের তাপমাত্রা কে নিয়ন্ত্রন করে এবং ডিহাইড্রেশন থেকে রক্ষা করে ।

টমেটো –

আজকাল টমেটো সারা বছরই বাজারে পাওয়া যায় যা সব্জি হিসেবে রান্নায় ব্যবহার করার পাশাপাশি চাটনি এবং স্যলাড হিসেবেও খাওয়া হয় । টমেটোতে রয়েছে ৯৪ % জল যা আমাদের দেহে জলের অভাব পুরন করতে যথেষ্ট ভুমিকা নিতে পারে ।

গরুর দুধ –

গরুর দুধে সুস্থভাবে বেঁচে থাকার প্রয়োজনীয় প্রায় প্রত্যেকটি উপাদান পাওয়া যায় । এতে রয়েছে শতকরা ৮৭.৫ % জল যা জলের অভাব পুরন করে আমাদের হাইড্রেট রাখতে সহায়ক ।

শসা –
শসা

পশ্চিমবঙ্গ সহ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে শসার চাষ হয় । এটি বেশীর ভাগ সময় স্যালাড হিসেবে খাওয়া হয় । শসাতে রয়েছে শতকরা ৯৬% জল যা আমাদের সরিরে জলের অভাব দূর করতে সহায়ক ।

সব শেষে এটাই বলবো যে গ্রীষ্মের এই দাবদাহে ডিহাইড্রেশন থেকে রক্ষা পেতে বেশি করে জল খাওয়ার পাশাপাশি যে খাবার গুলোতে জলীয় ভাগ বেশি রয়েছে সেসব খাবার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় অবশ্যই রাখুন ।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
সাবস্ক্রাইব করুন

স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিভিন্ন খবর, তথ্য এবং চিকিৎসকের মতামত আপনার মেইল বক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন.